আন্ডারগ্র্যাজুয়েট লেভেল বিদেশে পড়তে যাওয়ার  স্বপ্ন থাকে অনেকেরই। আমাদের দেশে পছন্দমতো বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় ভর্তি হতে না পেরে অনেকের লক্ষ্য থাকে উচ্চশিক্ষার জন্য প্রবাসে পাড়ি জমানোর। কিন্তু অনেকের জন্যই প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়  ফান্ডিং বিষয়টি।
নর্থ আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আন্ডারগ্র্যাড লেভেল স্কলারশিপ পাওয়া বেশ কঠিন।

আমেরিকায় বা কানাডায় আন্ডারগ্র্যাডে লেভেলের স্কলারশিপ হিসাব করা হয় একটু ভিন্ন ভাবে। আন্ডারগ্র্যাডে লেভেলে  বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খরচ মেটাতে “ফাইন্যানসিয়াল এইড” দিয়ে থাকে। এক্ষেত্রে এসএটি (SAT) স্কোরের ভূমিকা বেশ ভালোই আছে।

যে সকল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে “ফাইন্যানসিয়াল এইড” প্রদান করে সেই সব বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকা দেয়া হল-

1. Harverd University

2. Massachusetts Institute of Technology

3. Princeton University

4. Amherst College

5. Yale University

6. Brown University

7. Adrian College

8. Babson College

9. Boston University

10. California Institute of Technology (Caltech)

11. Cornell University

12. Duke University

13. Grinnell College

14. Haverford College

15. North Central College

16. Stanford University

17. Swarthmore College

18. University of Southern California (USC)

19. University of Virginia

20. Vanderbilt University

21. Baylor University

22. Clemson University

23. Colorado State University

24. Florida Gulf Coast University

25. Georgia State University

26. Louisiana State University

27. Texas Tech

28. University of Arizona

29. University of Mississippi

30. University of Missouri

31. University of Nevada at Las Vegas

32. University of Oregon

33. University of Tennessee

34. University of Texas at Arlington

35. Utah State University

এই সব বিষয় বিশ্ববিদ্যালয় মেরিটের উপর নির্ভর করে সর্ব নিম্ন ৭,০০০ ডলার থেকে শুরু করে ২২,০০০ ডলার  “ফাইন্যানসিয়াল এইড” দিয়ে থাকে।

নর্থ আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে “ফাইন্যানসিয়াল এইড”  পেতে স্কোরের ধারনা বিভিন্ন। এছাড়াও এটি সাবজেক্টের উপরও নির্ভর করে থাকে। 

সাধারণত এসএটি (SAT) পরীক্ষায় ১৬০০ এর মধ্যে ১৪৯০ এর উপরে স্কোর করলেই “ফাইন্যানসিয়াল এইড” পাওয়া যেতে পারে। যদিও এর নিচে স্কোর করলেও প্রোফাইলের অন্যান্য স্কিলের সাহায্য নিয়েও এই “ফাইন্যানসিয়াল এইড” ম্যানেজ করা যায়।

এককথায় বলে এই সব বিষয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে “ফাইন্যানসিয়াল এইড”  পেতে তোমার মেরিট থাকতে হবে। মেরিট কিন্তু শুধু লেখা-পড়াতে ভালো হলেই বিবেচিত হয় না।

নর্থ আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভালো খেলোয়াড় হতে পারলে মেরিট বেইজড “ফাইন্যানসিয়াল এইড”  সহজেই পাওয়া যায় । এজন্য বাংলাদেশে এইচএসসি (HSC)/ এ-লেভেল (A-Level) পূর্বে যত বেশি পারা যায় এক্সট্রা কারিকুলার কাজে জড়িত থাকা উচিত।

“ফাইন্যানসিয়াল এইড” পেতে তোমার কাজের অভিজ্ঞতা, সিজিপিএ এবং রেকমেন্ডেশন লেটারের ভূমিকাও অনেক।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *