বিদেশে পড়তে যাওয়ার  স্বপ্ন প্রায় সবারই! দেশের বাইরে পড়ালেখা এবং থাকা খাওয়া সব মিলিয়ে বেশ খরচের একটি বিষয়। তাই, সব স্টুডেন্ট মনে একটি প্রশ্ন ঘুরে ফিরে আসে!  

ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট হিসাবে আমেরিকায় আন্ডারগ্র্যাড লেভেলে আমার কাজের সুবিধা কি কি হতে পারে?

ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট হিসাবে আমেরিকায় আন্ডারগ্র্যাড লেভেলে কাজের সুযোগ আছে। তবে কলেজ থেকে অ্যাসাইন করা কাজের বাইরে কিছু করলে তা লিগ্যাল হবে না।

লিগ্যাল কাজের কিছু উদাহরণ হলো লাইব্রেরিতে কাজ করা, টিউটরিং করা, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাডমিশন অফিসে অ্যাসিসট্যান্ট হিসাবে কাজ করা, ডর্ম কীপিং করা (মানে রিসিপশন অফিসে রেজিস্ট্রেশন চেক রাখা ইত্যাদি)।

ইললিগ্যাল হলেও, খুবই কমন একটা চিত্র হলো অনেকে আশে পাশের গ্যাস স্টেশন বা মলের দোকানে সেলস পার্সন হিসাবে কাজ করে এবং ‘আন্ডার দ্য টেবল’ হিসাবে ক্যাশে পেমেন্ট গ্রহণ করে। এক্ষেত্রে মালিক বলে থাকেন যে কেউ প্রশ্ন করলে বলবে তুমি বন্ধুকে ফেভার করছো বা হ্যাং আউট করতে এসেছো মাত্র, এটা কোন জব নয়।

আমেরিকার বড় সব শহরেই এটা কম বেশি দেখা যায়। লাইব্রেরী বা ডর্মে কাজ করার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো ওই সময়টাতে চুপচাপ নিজের হোমওয়ার্কগুলো করে নেওয়া যায়। মলে বা গ্যাস স্টেশনের ক্যাশ কাউন্টারে সেটা সম্ভব হয় না।

এই সব কিছুর বাইরেও একটি সুযোগ আছে , টিউটরিং! তবে, টিউটরিং পাবার শর্ত হলো নিজে ভালো সিজিপিএ বা এসএটি তুলতে পারা। এ কারণে সাধারণত: সেকেন্ড ইয়ারে ওঠার পর তুমি ফ্রেশম্যান দুর্বল স্টুডেন্টদের টিউটর করার সুযোগ পেতে পারো। সায়েন্স, ম্যাথ আর ক্যালকুলাসে তাই আগে থেকে বেসিক যতটা পারো পাকা করে নাও।